১. আমাদের মুখে যে সব শিরা উপশিরা ছড়ানো রয়েছে তার কেন্দ্রস্থল হচ্ছে কপালের এই অংশটি৷ ফলে এই স্থানে অল্প চাপ পড়লে আমাদের নাক, মাথা, ও মুখের রক্তসঞ্চালন বাড়ায়৷ এর ফলে নাক বন্ধ থাকলে এই পয়েন্টে চাপ দিলে নাক খুলে যায়৷ সাইনাসের ব্যাথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়৷ মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়ার ফলে মুখ উজ্জ্বল হয় এবং তা বহুদিন পর্যন্ত মুখে বলিরেখা ফুটতে দেয় না৷
২. আমাদের দু’টি ভ্রুয়ের মাঝখানে সিঁদুর/টিপ পরার প্রচলন রয়েছে৷ তার একটি প্রধান কারণ হল মস্তিষ্কের এই জায়গাই সব গুরুত্বপূর্ন নার্ভগুলির সংযোগস্থল৷ এই জায়গাটি ধর্মীয় মতে ত্রিনেত্রের স্থান৷ তাই এই জায়গায় টিপ পরলে তা আমাদের শান্ত ও জাগ্রত রাখতে সাহায্য করে৷ শুধু তাই নয় এটি মেডিটেশনেও সহায়তা করে৷
৩. মস্তিস্কের এই একটি পয়েন্টে আঙুলের চাপ মাথা ব্যাথা কমাতে পারে৷ শরীরের এই অংশে শিরা উপশিরা গুলি এক কেন্দ্রমুখী৷ ফলে এই জায়গাটিতে চাপ দিলে শিরা উপশিরাগুলি শিথিল হয়৷ ব্যাথা কমে৷তাই এই পয়েন্টে সিঁদুর/টিপ পরলে মাথার আরাম হয়।
৪. ঘুম বাড়াতে সাহায্য করে সিঁদুর/টিপ৷ মনকে শুধু শান্ত করা নয় এই স্থানে সিঁদুর/টিপ পরতে যে চাপ বা মেসেজ পরে তাতে মুখের শিরা উপশিরা ও পেশি শিথিল হয়৷ ফলে এটি মানষিক চাপ কমাতে পারে আপনার৷ প্রতিদিন কয়েক সেকেন্ডের জন্য এই স্থানে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি মিলতে পারে৷
৫. চোখের শিরার ফাইবার বহনকারী শিরাগুলির কেন্দ্রস্থল আমাদের কপালে৷ আমাদের চোখের চারপাশে যত পেশি রয়েছে সেগুলি এই শিরার সঙ্গে যুক্ত৷ ফলে এই স্থানে চাপ বা মেসেজ করলে তা আমাদের চোখের পক্ষে উপকারী৷ দূরের এবং কাছের জিনিসকে স্পষ্ট করে দেখতে চোখের যে পেশি ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তিশালী রাখতে পারে এই জায়গার মেসেজও৷
আরো পড়ুন - সনাতন ধর্মে কি নারীর পুনঃবিবাহের অধিকার আছে?


0 Comments
ধন্যবাদ।